রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:১৯
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

মূলধারার সংবাদপত্রের অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন আগে: তথ্যমন্ত্রী

ডেক্সরিপোর্ট  তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন, মূলধারার সংবাদপত্রগুলোর অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়া হবে। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকেপড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল পরিশোধে আবারও তাগাদাপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত বৈঠক হয়। আজ (মঙ্গলবার) সে রকম একটি বৈঠক ছিল। আমরা সবসময় সংবাদপত্রের বিশেষ করে মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আজও সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোর নিবন্ধন দ্রুত দেয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা মনে করি, যেসমস্ত পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয় বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকার অনলাইন ভার্সন রেজিস্ট্রেশন দেয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি তদন্তের কিছু নেই। কারণ এগুলো তদন্ত করেই বের হয়। সুতরাং আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করব।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পত্র-পত্রিকার অনেক বিল আটকে আছে। কোনো পত্রিকার ১০ কোটি, ১৫ কোটি, ২০ কোটি টাকা। এরকম করে কয়েকশ’ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দফতরে আটকে আছে। ওই বিলগুলো যাতে ছাড় করা হয় সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ওই সব মন্ত্রণালয় ও দফতরে একটি তাগাদাপত্র দেব। কারণ ইতোপূর্বে পত্র-পত্রিকার বিল ছাড় করার জন্য কেবিনেট ডিভিশন থেকে সব মন্ত্রণালয় ও দফতরে তাগাদাপত্র দেয়ায় কিছু বিল ছাড় হয়েছিল।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, যে পরিমাণ বিল বকেয়া আছে আর যে পরিমাণ ছাড় হয়েছে- তা খুবই নগণ্য। সেজন্য আমরা আরও একটি তাগাদাপত্র দেব। আজকে সবার সঙ্গে আলোচনাক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।